Published By Subrata Halder, 12 June 2025, 08:26 p.m.
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ইতিহাসে এই প্রথমবার বুথের ভিতর এবং বাইরে একদিকে লাইভ স্ট্রিমিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একইসঙ্গে কমিশনের সিদ্ধান্ত ভোটে ব্যবহার করা হবে ক্যুইক রেস্পন্স টিম বা কিউ আর টি, ফ্লাইং স্কোয়াড। যে গাড়িগুলি থাকবে তার মাথায় লাগানো থাকবে ক্যামেরা যার মাধ্যমে ও এবার নির্বাচন কমিশন লাইভ স্ট্রিমিং করবে ভোটের সবকিছু। ইতিমধ্যেই এই লাইভ স্ট্রিমিং শুরু হয়ে গিয়েছে নাকা চেকিংয়ে। কেবলমাত্র ছবিই নয়, ছবির সঙ্গে একই সঙ্গে স্পষ্টভাবে ভেসে আসছে অডিও। অর্থাৎ রাজ্যে গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিষ্ঠা করতে এতদিন পরে দেরিতে হলেও এবার নির্বাচন কমিশন যে সত্যিই সক্রিয় হচ্ছে তা বোঝা যাচ্ছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই একই রকম পদ্ধতি ব্যবহার করতে চলেছে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর। আর সেই কারণেই আগামী ১৯শে জুন নদীয়া জেলার কালিগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন যে পদক্ষেপ করেছে তাতে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর বিধানসভা নির্বাচনের আগে এটি চূড়ান্ত মহড়া। তবে কেবলমাত্র লাইভ স্ট্রিমিং করেই ক্ষান্ত থাকছে না কমিশন। নির্বাচনের দিন সকাল সাতটা থেকে ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত চলবে বুথের ভিতরে এবং বাইরে ওয়েবকাস্টিং যার মাধ্যমে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর এবং জেলা শাসকের দফতর থেকে সমগ্র নির্বাচনকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এই পর্যবেক্ষণ যে সমস্ত ভোট কর্মীরা করবেন তাদের কর্মসূচি তৈরি হয়ে গেছে। পাশাপাশি যার যখন ডিউটি থাকবে সেই সময়ের মধ্যে ওই ভোট কর্মীকে খাতায় লিখতে হবে তিনি কি কি দেখেছেন এবং কোন জায়গায় অসংলগ্ন কিছু দেখে থাকলে তার জন্য তিনি কি পদক্ষেপ করেছেন কাকে কি নির্দেশ দিয়েছেন তা সবিস্তারে লিখতে হবে অন্যথায় ১৯৬১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং পদক্ষেপ করবে নির্বাচন কমিশন। এর আগেও রাজ্যে ওয়েব কাস্টিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছিল কিন্তু সেই ওয়েব কাস্টিং ছিল কেবলমাত্র ভোটের দিন বুথের ভিতরেই। আর এবার প্রথম বুথের ভিতরে যেমন একদিকে ব্রেক কাস্টিং হবে ঠিক একই রকম ভাবে বুথের বাইরে থেকে শুরু করে ক্যুইক রেসপন্স টিম, রেপিড অ্যাকশন ফোর্সের টিম এবং ফ্লাইং স্কোয়াডের সঙ্গেও লাগানো থাকবে ক্যামেরা, যার মাধ্যমে কেবলমাত্র রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দফতর এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ই শুধু নয় এই লাইভ স্ট্রিমিং সরাসরি নজরদারি চালাতে পারবে খোদ নির্বাচন কমিশন থেকেও যা পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে আগে কখনও এই ধরনের পদক্ষেপ করেনি নির্বাচন কমিশন।

