আদর্শ যত উচ্চ বা উদার হয় ততই ভাল, কারণ যত উচ্চতা বা উদারতার আশ্রয় নিবে, তুমিও তত উচ্চ বা উদার হবে।
তুমি লতার স্বভাব অবলম্বন কর, – আদর্শরূপ বৃক্ষকে জড়িয়ে ধরে বাড়তে চেষ্টা কর– সিদ্ধকাম হবে।
স্বার্থবুদ্ধি অনেক সময়ে আদর্শে দোষারোপ করে, সন্দেহ এনে দেয়, অবিশ্বাস এনে দেয়। স্বার্থবুদ্ধিবশত: আদর্শে দোষ দেখো না, সন্দেহ করো না, অবিশ্বাস করো না — করলে আত্মোন্নয়ন হবে না।
যে-আদর্শের ইষ্টানুরাগ বাস্তবভাবে অটুট ও আপ্রাণ হয়ে ওঠেনি — তার অনুসরণ করো না, করলে আত্মোন্নয়ন হবে না।
আদর্শের দোষ — ইষ্টস্পর্দ্ধী মূঢ় অহংকার, স্বার্থচিন্তা, ইষ্টস্বার্থপ্রতিষ্ঠাবিহীন অপ্রেম।
অনুসরণকারীর দোষ — ফন্দীবাজী, বৃত্তিস্বার্থযুক্ত সন্দেহ, অবিশ্বাস ও স্বার্থবুদ্ধি।
যদি তোমার আদর্শের কথা বলতে আনন্দ, শুনতে আনন্দ, তাঁর চিন্তায় আনন্দ হয়, তাঁর হুকুম পেলে আনন্দ, তাঁর আদরে আনন্দ ও অনাদরেও আনন্দ হয়, তাঁর নামে হৃদয় উথ্লে ওঠে — আমি নিশ্চয় বলছি, তোমার উন্নয়নের জন্য আর ভেবো না।
তুমি যত – তোমার আদর্শপ্রাণতায় উন্নত হতে পারে এমনতরভাবে – লোকের সেবা করবে, তত তাদের যথাসর্বস্বের অধিকারী হবে। ‘সত্যানুসরণ’
“আদর্শ”

