Published By Subrata Halder, 14 May 2025, 05:49 pm
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে বৈঠক করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বর্তমানে মধ্য প্রাচ্যসফরে ট্রাম্প। বুধবার সকালে রাজধানী রিয়াধে এই দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হয়।
এর আগে সিরিয়ার ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প বলেন, মহত্বের জায়গা থেকে তাদের একটি সুযোগ দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সলমানও ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদোলু নিউজ এজেন্সি জানাচ্ছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সলমান এবং সিরিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারার তিন জনের বৈঠক ছিল ভার্চুয়াল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানও
তাতে যোগ দেন।
রিয়াধে বৈঠক শেষে ট্রাম্প কাতারের উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন। সৌদি আরব এবং কাতারের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফর করবেন ট্রাম্প। দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প তার প্রথম বিদেশ সফর শুরু করেছেন। দ্বিপাক্ষিক নানা বিষয়ে আলোচনার জন্য তিনি আগামী চার দিন উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকবেন।
তার এবারের সফরে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নতুন বিনিয়োগ নিশ্চিত করা। উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে নতুন বিনিয়োগ বিশেষ করে তাদের রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম সম্পদ তহবিল থেকে বিনিয়োগ পাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। এটি তার ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি বাস্তবায়নে সহায়তা করবে বলে মনে করেন ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের সৌদি আরব সফরে যেসব চুক্তি হচ্ছে তার মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলারের একটি অস্ত্র চুক্তি রয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এই চুক্তির আওতায় সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র ও অন্য সামরিক উপকরণ কিনবে।
এই প্যাকেজের আওতায় রাডার সিস্টেম ও পরিবহন বিমান কেনার বিষয়টিও রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবের বড় অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। যদিও দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কে কিছুটা ভাটা পড়েছিল জো বাইডেন ক্ষমতায় থাকার সময়। ইয়েমেন যুদ্ধে দেশটির ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সৌদি আরবকে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করেছিল বাইডেন প্রশাসন।
এর আগে সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়েও আমেরিকা ও সৌদি সম্পর্কে প্রভাব পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্টে বলা হয়েছিল, যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সলমান ওই হত্যাকাণ্ডের অনুমোদন দিয়েছিলেন। যদিও সৌদি আরব এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছে।

