Published By Subrata Halder, 03June 2025 ,10:28 p.m
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
চার বছর আগে ছাড়পত্র দেওয়া হলেও কোনও কাজ হয়নি, তাই তাজপুর গভীর সমুদ্র বন্দর প্রকল্পে আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল রাজ্য সরকার। সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একইসঙ্গে রাজ্য এবার নতুন করে টেন্ডার ডাকার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে রাজ্য মন্ত্রিসভা আদানি পোর্টস অ্যান্ড এসইজেড এর প্রস্তাবে সম্মতি দেয় এবং ২০২২ সালে লেটার অফ ইন্টেন্টও দেওয়া হয়। কিন্তু প্রতিরক্ষা ও নৌপরিবহনসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের বিভিন্ন অনুমতি না আসা এবং প্রকল্পে অগ্রগতি না-হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই বলেছিলেন নতুন করে দরপত্র নেওয়ার কথা। এবার তা চূড়ান্ত হল।
প্রথম দরপত্র অনুযায়ী, ১২৫ একর সমুদ্রতীরবর্তী জমি এবং শিল্প প্রকল্পের জন্য আরও ১ হাজার একর জমি দেওয়ার কথা ছিল, যার জন্য কোনও অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণের দরকার পড়বে না বলেই জানিয়েছে রাজ্য। নতুন টেন্ডারে এই জমির বিন্যাস অপরিবর্তিত থাকছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্টতা আসা বাকি রয়েছে। তাজপুর বন্দর নির্মিত হলে তা হবে রাজ্যের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর। ২৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের সরাসরি এবং বহু মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। কলকাতা থেকে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত বন্দরটি ১২ মিটার ড্রাফট-সহ নির্মিত হবে এবং ডানকুনি ফ্রেইট করিডোর ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ গড়ে তুলবে ফলে রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগ পরিকাঠামোয় আরো অগ্রগতি ঘটবে। বর্তমানে রাজ্যে শিল্প বিনিয়োগ আসছে দাবী রাজ্য সরকারের, সেই নিরিখে পন্য আমদানি ও রফতানি ক্ষেত্রে এই বন্দর আরো গতি আনবে, তাই দ্রুত এই কাজ সম্পূর্ন করতে উদ্যোগী রাজ্য সরকার।

