বঙ্গবার্তা ব্যুরো
কসবা ল কলেজের ঘটনায় গোটা রাজ্য যখন তোলপাড়, তখন কেন্দ্রীয় ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য। অভিযুক্ত ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার তাকে আদালতে তোলা হলে আদালত তাকে ৭ দিন পুলিশি হেফাজতে রাখার আদেশ দেয়।
পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কসবা ল কলেজের ঘটনার মতো এই ক্ষেত্রেও অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো ছবি বা ভিডিও তোলা হয়েছিল কিনা এবং তা কোথাও ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে কিনা। পাশাপাশি ম্যানেজমেন্ট কলেজ চত্বরে নিরাপত্তার গাফিলতি নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
শনিবার এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুনাল ঘোষ বলেন, এই ধরনের স্পর্শকাতর ঘটনায় কোনো রাজনৈতিক দলের দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য এড়িয়ে চলা উচিত। কোনও ঘটনা ঘটার সঙ্গে সঙ্গে তাকে রাজনীতির মোড়কে মুড়ে উপস্থাপন করা একেবারেই অনুচিত। আমরা ভুলে যাচ্ছি, সমাজ রাজনীতি থেকেও বড়।
আইআইএম কলকাতার ঘটনাটি প্রসঙ্গে কুনাল জানান, ঘটনাটি ঘটেছে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে, রাজ্য পরিচালিত নয়। সেখানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা উচিত ছিল। এখন মেয়ের বাবা বলছেন, কোনও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেনি। অথচ, আগে বিরোধীরা দাবি করছিল, পরিবারকে জোর করে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে যে কিছু হয়নি। এখন আবার দাবি উঠছে, তৃণমূলই নাকি জোর করে লিখিয়ে নিচ্ছে যে কিছু হয়েছে। এমন পরস্পরবিরোধী বক্তব্যের মধ্যে যুক্তির অভাব রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদি কেউ অভিযোগ করতে চান, করতেই পারেন। কিন্তু যখন মেয়ের বাবা বলছেন কিছু হয়নি, তখন সেটি তাদের কথা। আর ওই ছেলেটি কর্নাটকের বাসিন্দা, সেও বলতে পারে তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানে ঠিক কী ঘটেছিল
কুনাল ঘোষের বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।

