বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
হাওড়া থেকে শিয়ালদহ বা নোয়াপাড়া থেকে বিমান বন্দর,রুবি থেকে বেলেঘাটা শহর কলকাতার নিত্য দিনের যানজট থেকে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলবেন কয়েক লক্ষ মানুষ। দাপাদাপি বা দাদা গিরি কিছুটা কমবে অটো, ট্যাক্সি বা টোটোওয়ালাদের। আজকের সন্ধ্যা থেকেই কলকাতার যাতায়াতে অনেক অনেক স্বস্তি ও আনন্দ তা অস্বীকার করার উপায় নেই।
কলকাতার মানুষের মতোই আজ তিনি নিজেও আবেগ প্রবন হয়ে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
রাজনৈতিক বাধ্য বাধকতায় বা ভোটের রাজনীতির অঙ্কে প্রধান মন্ত্রীর সঙ্গে তিনি শহরের তিনটি নতুন মেট্রো পথ ও একটি সাবওয়ের উদ্বোধনে থাকতে পারলেন না ঠিকই। কিন্তু স্মরণ করিয়ে দিলেন তার রেল মন্ত্রীত্ব কা এই সব প্রকল্প গ্রহণ ও তা রূপায়ণের স্বপ্ন দেখেছিলেন। ভারতের অন্য শহরের পাশাপাশি কলকাতার জন্য পৃথক ভাবেও পরিকল্পনা ও উদ্যোগ ছিল তার। করেছেন অর্থ বরাদ্দ।

দিল্লী থেকে ফিরলেও বাংলার মসনদে বসেছেন তিনি। কিন্তু মুখ্য মন্ত্রী হয়েও রেল প্রকল্প গুলির রূপায়ণে মেট্রো রেল যখন যে সাহায্য চেয়েছে তার সরকার তা করেছে দাবী মুখ্যমন্ত্রীর। জমি জটে ও তার সরকার সমস্যা মিটিয়েছে। নিজের সমাজ মাধ্যমে সেই কথাই তুলে ধরেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও রেল দফতর মুখ্যমন্ত্রীকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু জাননি তিনি। দূর থেকেই নষ্টালজিক হয়েছেন।
কারণ তিনি জানেন মেট্রো ছাড়া শহরে পরিবহনে গতি আনা অসম্ভব। কলকাতায় যান বহনের গতিও কম। এই পরিস্থিতিতে মেট্রো কলকাতার পরিবহন ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত করবে বুঝেছেন তিনি। আর তার সূচনা কারী হিসেবে আনন্দিত তিনি। আর এই প্রথম যে কোনো কেন্দ্রের প্রকল্পে তিনি বিরূপ মন্তব্য করলেন না।

