এসআইআর এর চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরিতে বাধা উঠছে প্রশ্ন

বঙ্গবার্তা ব্যুরো,

ছবি সোশ্যাল মিডিয়া

আধিকারিকদের নিয়োগ , আর এটাই কি এখন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের কাছে চিন্তার বিষয়।
নির্বাচন কমিশনের নিয়ম এবং আইন অনুযায়ী প্রতি বিধানসভা পিছু থাকবেন একজন করে ইআরও, সেই মোতাবিক রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভার জন্য প্রয়োজন ২৯৪ জন ই আর ও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু এইআরও নিয়োগের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত বাকি ৫০০ জনেরও বেশি।

সম্প্রতি ভোটার তালিকায় কারচুপির কারণে রাজ্যের ২ ইআরও এবং ২ এ ইআরও কে সাসপেন্ড করা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের থেকে আর এই জায়গায় সব থেকে বড় প্রশ্নচিহ্ন উঠছে আধিকারিকদের দক্ষতা নিয়ে।
মঙ্গলবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের পক্ষ থেকে এক নির্দেশিকা পাঠানো হয় রাজ্যের সব জেলা শাসকদের কাছে এই নিয়োগ কে কেন্দ্র করে। যেখানে পরিষ্কার বলা হয়েছে এই সব পদে তাদেরকেই নিয়োগ করা যাবে যাদের এই বিষয়ে একদিকে অভিজ্ঞতা অন্যদিকে নির্দেশকে সঠিকভাবে পালন করার দক্ষতা রয়েছে ।

তাই রাজ্যের ২৯৪ টি বিধানসভার জন্য প্রয়োজন ৩ হাজার এইআরও কিন্তু সেখানে দক্ষ এবং অভিজ্ঞ আধিকারিকের অভাবেই এখনও পর্যন্ত নিয়োগ করতে সক্ষম হয়নি রাজ্য সরকার। নির্বাচন কমিশনের আইন অনুযায়ী একজন ইআরও এবং এইআরও কে নিয়োগ করতে পারে সেই রাজ্যের সংশ্লিষ্ট দফতর যা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে অনেকটাই বড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাড়ি করিয়েছে এই নিয়োগ।

নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক কালের কড়া পদক্ষেপের পরেই এখন একদিকে যেমন ভয়ের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে আধিকারিকদের মধ্যে অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কাজের জন্য দক্ষ আধিকারিক একপ্রকার পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই রাজ্যে এসআইআরএর প্রাক প্রস্তুতিতে রীতিমতো কপালে ভাজ পড়েছে এখন ইআরও এবং এইআর ও নিয়োগকে কেন্দ্র করে।