তুর্কমেনিস্তানে ডু অর ডাই লড়াই ইটবেঙ্গলের

বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ আটের ফিরতি ম্যাচ খেলতে লাল হলুদ ব্রিগেড তুর্কমেনিস্তানে পৌঁছেছে। প্রতিপক্ষ সেই দেশের আর্কাদাগ এফকে। কলকাতায় প্রথম পর্বের ম্যাচে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে এক গোলে জয় ফর পেয়েছে তারা। এবার ঘরের মাঠে দ্বিতীয় পর্বে জয়ের খোঁজে নামবে তারা। অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গলের কাজটা অনেকটাই কঠিন। দুগোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিতে পারলেই শেষ চারে লাল হলুদ। প্রথম পর্বের সাক্ষাত থেকে হোমওয়ার্ক সেরেছেন ইস্টবেঙ্গল কোচ অস্কার ব্রুজো । পাঁচ মার্চ প্রথম পর্বের ম্যাচে লাল হলুদ ব্রিগেডের সমস্যা ছিল ক্লান্তি এবং চোট আঘাত। এবার সেটা নেই। তাই দলকে চাঙ্গা রেখে এএফসির মঞ্চে মেলে ধরতে গত সাতদিনে প্রথম একাদশকে বিশ্রাম এবং প্র্যাকটিসের মধ্যে দিয়ে তৈরি করেছেন। ইতিমধ্যে আইএসএলের শেষ ম্যাচ খেলে পিভি বিষ্ণু ডেভিড ক্লেটন সিলভার মত ফুটবলাররা তুর্কমেনিস্তানে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।
তুর্কমেনিস্তানে পা দিয়ে ইস্টবেঙ্গলের অভ্যর্থনা মোটেই সুখকর হয়নি। তবে প্রতিকুলতায় জয়ের শপথ লাল হলুদ সাজঘরে। সাংবাদিক সম্মেলনে কোচ অস্কার ব্রুজো বলেছেন, আমাদের দল শারীরিক সক্ষমতার দিক থেকে ঠিকঠাক জায়গায় রয়েছে। আমরা ভারতে যে রকম মাঠে আইএসএল খেলি এই মাঠ তার থেকে পুরো আলাদা। মাঠের লড়াই এর থেকেও আশা করছি ফিজিক্যাল লড়াই বেশি দেখা যাবে। সেট পিস মুভমেন্টের উপরে বেশি জোর দিয়েছি। আরকা দাগ খুবই ভালো দল গত দুটি মরশুমে ওরা চ্যাম্পিয়ন এই মরসুম ওরা সবে শুরু করেছে। আশা করি উপভোগ্য লড়াই দেখা যাবে। প্রথম ম্যাচের পরেও তুর্কমেনিস্তানের ক্লাব দলের শারীরিক ফুটবলের কথা বলেছিলেন। ফিরতি সাক্ষাতের আগেও একই সুর লাল হলুদ হেডস্যারের মুখে। সাংবাদিক সম্মেলনে জিকসন সিং বলেন, বুধবারের ম্যাচ খুব একটা সহজ নয়। ঘরের মাঠে আমাদের হারতে হয়েছে। তাই পরবর্তী পর্বে যাওয়ার জন্য মরণ-বাঁচন ম্যাচ। সবাই নিজের সেরাটা দেওয়ার জন্য তৈরি। প্রায় একই সঙ্গে এও বলেন, ইস্টবেঙ্গলের জার্সি পড়ে খেলার চেয়ে বড় মোটিভেশনার কিছু হয় না। দলের সকলেই জানে এই ম্যাচে জিততে না পারলে পরের পর্বে যাওয়া যাবে না।
আইএসএলে ফের দশ নম্বরে ইস্টবেঙ্গল। সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটাতে এবং নিজেদের অস্তিত্ব বাঁচাতে তুর্কমেনিস্তানে জয়ের খোঁজে ইষ্টবেঙ্গল। ডু অর ডাই ম্যাচ তাদের।