বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
দক্ষিণ চিন সাগরে চিনের ক্রমবর্ধমান সামরিক উপস্থিতির কারণে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি ফিলিপাইন এবং জাপান – সদ্য শেষ হওয়া রাইসিনা সংলাপে এমনটাই জানিয়েছেন ফিলিপিন্সের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান জেনারেল রোমিও এস. ব্রাওনার। তিনি জানিয়েছেন বেইজিংএর মোকাবিলা করতে ও তাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যেও কাজের ভাবনা এগোচ্ছে।এর পরেই ব্রাওনার জানিয়েছেন, “জাপান এবং আমাদের অংশীদারদের সঙ্গে আমরা ভারত এবং সম্ভবত দক্ষিণ কোরিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য স্কোয়াড সম্প্রসারণের চেষ্টা করছি,”
আলোচিত এই গ্রুপটি হল ‘স্কোয়াড’ – বর্তমানে যার সদস্য হল জাপান, অস্ট্রেলিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিলিপিন্স।চিনের দাদাগিরি ঠেকাতে এই গ্রুপই এখন ভারত এবং দক্ষিণ কোরিয়াকে এতে যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে। যদিও ইতিমধ্যেই ‘কোয়াড’ গ্রুপে রয়েছে ভারত। ২০০৭ সালে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বেজিংয়ের আধিপত্য রুখতে তৈরি হয়েছিল কোয়াড্রিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়ালগ বা ‘কোয়াড’। ওই সামরিক জোটের সদস্য ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
দক্ষিণ চিন সাগর হল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্য রুটগুলির মধ্যে একটি, যেখানে বার্ষিক ৩ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি বাণিজ্য চলে।এলাকার দেশগুলোর অভিযোগ চিন একতরফাভাবে দক্ষিণ চিন সাগরের প্রায় পুরো অংশকে তার নিজস্ব অঞ্চল হিসেবে দাবি করছে।পাশাপাশি দক্ষিণ চিন সাগরে সামরিক মহড়া জোরদার করেছে বেজিং।ফলে সংঘাত বাড়ছে। ক্ষমতায় এসেই বেজিংকে বাণিজ্যের পাশাপাশি তার আগ্রাসী নীতিতে ধাক্কা দিতে চাইছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দক্ষিণ এশিয়ায় শক্তির ব্যালান্স আনতে কোয়াড গ্রপের মতই তাতে পাশে পেতে চাইছে এশিয়ার অন্যতম ক্ষমতাধর ভারতকে।
কোয়াডের পর ‘স্কোয়াড’-এও ভারতকে চায় আমেরিকা, রাইসিনায় প্রসঙ্গ উত্থাপন ফিলিপিন্সের

