বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচনে কারচুপি নি য়ে ফের একজোট কংগ্রেস, উদ্ধবসেনা এবং শরদ পাওয়ারের এন সি পি। শুক্রবার সঞ্জয় রাউত এবং সুপ্রিয়া শুলেকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন রাহুল গান্ধী। তিন দল ফের একসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখী হওয়ায় বৃহন্মুম্বই নির্বাচনের আগে মহাবিকাশ আগাড়ির ঐক্যবদ্ধ চেহারাই সামনে এল।
রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, মহারাষ্ট্রে নির্বাচন কমিশনের তালিকা থেকেই স্পষ্ট সে রাজ্যে প্রাপ্ত বয়স্কদের সংখ্যার চেয়ে ভোটারের সংখ্যা বেশি। তাঁর প্রশ্ন এই অনিয়ম দেখার দায়িত্ব কার?
লোকসভায় বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, ২০১৯ এর লোকসভা ভোটের পর ২০২৪ এ ভোটার বাড়ে ৩২ লাখ। কিন্তু এর পাঁচ মাস পরেই বিধানসভা নির্বাচনের আগেই ফের ভোটারের সংখ্যা বেড়ে যায়। এবার সেই সংখ্যা দেখান হয়েছে ৩৯ লাখ। তিনি জানতে চান কোন অঙ্কে এটা সম্ভব? তিনি বলেন পাঁচ মাসে মহারষ্ট্রে যত ভোটার বেড়েছে তা পুরো হিমাচলের ভোটারের সংখ্যার সমান।
সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল, সঞ্জয় এবং সুপ্রিয়া একযোগে অভিযোগ করেন বিধানসভা ভোটের আগে বেছে বেছে সংখ্যালঘু, দলিতদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
মহারাষ্ট্রে বিধানসভা ভোট মিটে যাওয়ার পর নির্বাচন কমিশন প্রাথমিক ভাবে ভোটের যে হার প্রকাশ করেছিল চূড়ান্ত ভোটের হার ছিল তার থেকে অনেক বেশি। প্রায় ৭৬ লক্ষ ভোটের ফারাক ছিল।
এদিকে রাহুল গান্ধীর অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে মন্তব্য করেছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস।
মহারাষ্ট্রে ভোট কারচুপির অভিযোগে একজোট এমভিএ

