Published By Subrata Halder, 26 May 2025, 03:17p.m.
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
ভোটকেন্দ্রের প্রবেশ পথে ভোটের দিনের ব্যবস্থাপনা নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে জরুরী নির্দেশিকা পাঠাল নির্বাচন কমিশন। জরুরী বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে ভোট কেন্দ্রের একশো মিটারের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী বুথ স্থাপন করা যাবে না। বিশেষ করে প্রিসাইডিং অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারদের হ্যান্ডবুক ২০২৩ এর দেওয়া প্রসঙ্গে নিয়মাবলী অনুযায়ী নির্দেশ পালন করতে হবে বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী এলাকাতে ভোট কেন্দ্রের ব্যবস্থা করার জন্য দায়িত্বে থাকবেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ব অনুমোদনক্রমে নির্বাচনী এলাকায় পর্যাপ্ত ভোট কেন্দ্র করতে হবে। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের একশো ধারা অনুযায়ী ভোটকেন্দ্রের ভিতরে ও বাইরে বা তার কাছাকাছি সবরকমের প্রচার নিষিদ্ধ থাকবে। যে সকল নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেগুলি হল, প্রথমত, কোনো ব্যক্তি নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে বা ভোট কেন্দ্রের বাইরে ১০০ মিটারের মধ্যে কোনো রকম সরকারি বা ব্যক্তিগত কাজ সম্পাদন করতে পারবেন না।
দ্বিতীয়ত, ভোটের জন্য প্রচার করতে পারবেন না। কোনো ভোটারের কাছে ভোট প্রার্থনা করা যাবে না।
তৃতীয়ত,কোনো ভোটারকে নির্দিষ্ট প্রার্থী কে ভোট দেওয়ার জন্য রাজি করাতে পারবেন না। নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার জন্য কোনো ভোটারকে রাজি বা জোর করা যাবে না। নির্বাচন সম্পর্কিত কোনো নোটিশ বা সাইনবোর্ড প্রদর্শন করা যাবে না। উপ-ধারা (১) অনুযায়ী যদি কোনো ব্যক্তি এই নিয়মাবলী কে লঙ্ঘন করলে ২৫০ টাকা পর্যন্ত জরিমানায় দণ্ডিত হবে।এই ধারা অনুযায়ী সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে দন্ডনীয় অপরাধযোগ্য হবে। ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৫ ধারা ও ১০০ ধারায় উল্লেখিত বিধান অনুসারে। ভোট কেন্দ্রের প্রবেশ পথের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনো নির্বাচনী বুথ স্থাপন করা যাবে না। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে শুধুমাত্র একটি টেবিল এবং দুটি চেয়ার থাকবে। যার মধ্যে একটি ছাতা বা ১০ফুট বাই ১০ ফুটের বেশি হবে না। ছোট তাঁবু থাকবে যাতে আবহাওয়ার পরিস্থিতিতে রক্ষা পাবে। ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে কোনো প্রচার চালানো যাবে না।
এই সমস্ত নিয়মাবলী জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, প্রিসাইডিং অফিসার, রিটার্নিং অফিসার, সেক্টর অফিসার, বুথ লেভেল অফিসার এবং অন্যান্য সকল আধিকারিক যারা নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত কর্মচারীদের অবগত করার নির্দেশ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক কে দিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।
আগামী ১৯শে জুন নদীয়া জেলার কালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচন আর সেখানেই এই নিয়ম এবার থেকেই বলবৎ হবে। সকলেই মনে করছেন আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে একপ্রস্থ মহড়া সেড়ে রাখতে চাইছে দেশের নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ কিনা নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে মানুষ যাতে সুষ্ঠু অবাধ ও শান্তিপূর্ণভাবে নিজের ভোটাধিকার কে প্রয়োগ করতে সক্ষম হয় সেই প্রচেষ্টাই এবার করতে চলেছে নির্বাচন কমিশন।

