দু দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও, ভোলেন নি তিনি ভোলেন নি

বঙ্গবার্তা ব্যুরো

রাজ্যে ২০১১ সালে সরকার গঠনের আগেও কেন্দ্রে মন্ত্রী থাকাকালীন হোক, বা লোকসভার সব আসনে হেরে শুধু তার নিজের জয়লাভ সেই কঠিন অগ্নি পরীক্ষার সময়েও ২১ শে জুলাইয়ের শহীদ সমাবেশ হয়েছে চলে আসা সূচি মেনে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পরামর্শদাতাদের অন্যতম প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি একটা কথা বলতেন।
মমতার জেদ আর অদম্য নিষ্ঠা ও ভালোবাসা সাধারণ মানুষের মনে ধাক্কা মারে। এটাই মমতার ইউএসপি।

একথাও সত্য, ১৯৯৩ সালের ২১ শে জুলাই এর আন্দোলন মমতা কে পৃথক রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে রাজ্য রাজনীতিতেই শুধু নয়, জাতীয় রাজনীতিতে জায়গা কলোরে দিয়েছে। প্রদেশ কংগ্রেসে তাকে দাবিয়ে রাখার জন্য কম চেষ্টা হয়নি। কিন্তু মমতা পেরেছেন আপোষহীন প্রতিবাদী সংগ্রামী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে। আর শহীদ সমাবেশ মমতার গণতান্ত্রিক মনোভাবের পরিচয় বহন করে চলে আজও।

দেশের অনেক নেতা নেত্রীরই মহীরুহ হয়ে ওঠার পথে তাদের সমর্থক বা অনুসরণ কারিদের আর মনে রাখেন না বা সেই সময় হয়তো থাকেনা, আর এখানেই মমতা ব্যতিক্রমী। সেই ব্যতিক্রমী চরিত্র তাকে শহীদ সমাবেশ যথোচিত মর্যাদায় পালন করায়। বহু কিলোমিটার দুর থেকে যারা আসেন মমতা কে একবার চোখের দেখা দেখতে তারা ফিরে যান সেই প্রমাণ নিয়ে না ওই মেয়েটো আজও বদলায়নিকো বটে বলতে বলতে।