Published By Subrata Halder, 15 May 2025, 06:30 pm
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
দীর্ঘদিন ধরে জল্পনা চলছিল। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই উল্টো সুর বাজছিল প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ জন বার্লার গলায়। অবশেষে জল্পনার অবসান ঘটলো, গেরুয়া শিবির ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে নাম লেখালেন বিজেপির প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আলিপুর দুয়ারের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ। বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে দলের সাধারণ সম্পাদক ও মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস তার হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। শুভেন্দু গড়ে ধাক্কা খাওয়ার পর এবার উত্তরবঙ্গেও বড় ধাক্কা খেল বিজেপি। কয়েকদিন আগে, জন বার্লাকে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের শীর্ষনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনিক সভায়। তখনই অনুমান করা গেছিল, তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন তিনি।
এদিন দলের কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন, দলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি, রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এবং মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। অরূপ বিশ্বাস বলেন, দীর্ঘদিন চা বলয়ে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জন বার্লা। বিশিষ্ট আদিবাসী নেতা। জনগণের মধ্যে তার ভাবমূর্তি যথেষ্ট ভালো। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মা মাটি মানুষের জন্য কাজ করতে চাইছিলেন। আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার যোগদেওয়ার বিষয়টি অনুমোদন করেন। দলবদলের কারণ হিসেবে জন বার্লা বলেন, তিনি উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছিলেন। মানুষদের জন্য হাসপাতাল তৈরি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু তার দলের নেতারাই পেছন থেকে তাকে আটকে দিয়েছেন।
স্পষ্ট করে শুভেন্দু অধিকারীর নাম উল্লেখ করেছেন। তার দাবি উত্তরবঙ্গে সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় খরচে একটি হাসপাতাল তৈরি করার উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী সেই উদ্যোগে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই অবস্থায় এমন দল তিনি করতে চান না যেখানে মানুষের জন্য কাজ করতে গেলে বাধা পেতে হয়। এদিন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসাও করেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সকলকে নিয়ে চলা, সব ধর্মকে সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া তাকে অনুপ্রাণিত করেছে সে কারণেই বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন তিনি দাবি করেন উত্তর বঙ্গের প্রাক্তন সাংসদ।

