Published by Subrata Halder, 20 June 2025, 11:18 p.m.
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
তিনি শুধু বলিউড সুপারস্টারই নন। এই ইন্ডাস্ট্রির শাহেনশাহ। এক নামেই যার পরিচয়, তিনি অমিতাভ বচ্চন। কিন্তু এই অভিনেতা বর্তমানে যে স্থানে আছেন। সেই জায়গায় আসতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। তাকে। পাড়ি দিতে হয়েছে অনেক কঠিন পথ।
অমিতাভ বচ্চন ক্যারিয়ারে অনেক সুপারহিট সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। কিন্তু শুরুতে তার ঝুলিতে অনেক ফ্লপ সিনেমাও ছিল। সংখ্যার দিক দিয়েও তা কম নয়।
১৯৭৮ সালটি অমিতাভ বচ্চনের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে এসেছিল। সেই বছর আজকের শাহেনশার তিনটি সিনেমা পরপর হিট করে। অমিতাভ বচ্চন ধর্মেন্দ্র এবং বিনোদ খান্নার মতো অভিনেতাদের সিনেমাগুলোকে টপকে গিয়েছিলেন। কিন্তু বক্স অফিসে সবচেয়ে বেশি আয় করা সিনেমাটি ছিল ‘মুকাদ্দার কা সিকান্দার’। এটি মুক্তি পায় ১৯৭৮ সালের ২৭ শে অক্টোবর।
‘মুকাদ্দার কা সিকান্দার’ সিনেমায় অমিতাভ বচ্চনের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন রেখা। সিনেমায় তাদের দুজনের জুটি দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। সিনেমাটি তৈরি করেছিলেন প্রকাশ মেহরা। এর গল্পকার ছিলেন কাদের খান। ছবির গানগুলিও দারুণ জনপ্রিয়তা পায়।
মুকাদ্দার কা সিকান্দার সিনেমা পাল্টে দেয় অমিতাভের জীবন
মুকাদ্দার কা সিকান্দার সিনেমার বাজেট ছিল এক কোটি টাকা। তবে আয় হয়েছিল ২৬ কোটি টাকারও বেশি। এটিই ছিল সেই বছরের সর্বকালের সবচেয়ে বড় ব্লকবাস্টার সিনেমা। একই বছরে অমিতাভের ‘ডন’ এবং ‘ত্রিশূল’ মুক্তি পায়। এই ছবিগুলিও সুপারহিট হয়।
একই বছর, অর্থাৎ ১৯৭৮ সালে, ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর সুপারহিট সিনেমা ‘আজাদ’ এবং বিনোদ খান্নার ‘ম্যায় তুলসী তেরে আঙ্গন কি’ প্রেক্ষাগৃহে আসে। কিন্তু অমিতাভের সিনেমা সে দুটিকে অনেক পেছনে ফেলে দেয়। আর সেই থেকেই খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছলেন অমিতাভ। আজ ও সেই স্থান অটুট রেখেছেন।

