বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে এবার ইসরায়েলের পথে নামল সেদেশের হাজার হাজার মানুষ। বিশাল বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বন্ধ হয়ে যায় জেরুজালেম ও তেল আবিবের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো। বিক্ষোভ থামাতে কমপক্ষে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আশঙ্কা, আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি বিক্ষোভ হতে পারে।
প্রথমত ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থার প্রধান রোনেন বারকে বরখাস্ত করার জন্য নেতানিয়াহুর উদ্যোগ সামনে আসতেই বিক্ষোভ শুরু হয়।এর পর সেই আগুনে ঘি ঢালে গাজায় প্রাণঘাতী বিমান হামলা চালিয়ে দুই মাসের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পর হয়ে ওঠা বিক্ষোভ।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ বর্তমান সরকার হামাসের কাছে বন্দী থাকা ৫৯ জনের পরিণতি নিয়ে ভাবছে না, তারা রাজনৈতিক কারণে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখতে সমস্ত আহ্বান উপেক্ষা করে আকাশ ও স্থলপথে হামলা জোরদার করেছে ইজরায়েল।ফলে গত জানুয়ারিতে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তিটাই ভেস্তে গেছে।
ক্রমেই নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়ছে ইজরায়েলের মানুষের। যেসব ভুলত্রুটির কারণে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েলে হামাসের হামলা হয়েছে, তার জন্য দায়ী বলে বিবেচিত বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্তা ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। তবে নেতানিয়াহু নিজে ভয়াবহ নিরাপত্তা বিপর্যয়ের এই ঘটনায় কোনো দায় স্বীকার করেননি।একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বানও প্রত্যাখ্যান করেছেন নেতানিয়াহু।
ইসরায়েলে হামাসের ওই হামলায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়েছিলেন। তাঁদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক। এ ঘটনায় একটি শক্তিশালী তদন্ত কমিশন গঠনের আহ্বান জানানো হলেও নেতানিয়াহু তা প্রত্যাখ্যান করেছেন।
গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে এবার পথে নামল ইসরায়েলের মানুষ, দাবি উঠল পণবন্দীদের উদ্ধারের

