বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
ঘরের মাঠে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট ২-০গোলে উড়িয়ে আইএসএল ফাইনালের টিকিট যোগাড় করে নিল। টানা তিনবার আইএসএল ফাইনালে সবুজ মেরুন। যা এর আগে কোনও দল করে দেখাতে পারেনি। ফলে নতুন নজির। পেনাল্টি থেকে জেসন কামিন্সের গোলের পরে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের শেষ মিনিটে ম্যাচের সেরাআপুইয়ার বিশ্বমানের গোল। আর তাতেই মোহনবাগান সুপারজায়ান্টের হাতে নির্ধারিত সময়ে এল আইএসএল ফাইনালের টিকিট। এবার ১২এপ্রিল ফাইনালে মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট মুখোমুখি হবে বেঙ্গালুরু এফসির। দুই পর্বের সেমিফাইনাল। প্রথম পর্বে জামশেদপুর তাদের মাঠে জয় পেয়েছিল ২-১ গোলে। ফলে কলকাতায় তারা খেলতে এসেছিল এক গোলে এগিয়ে থাকার সুবিধা নিয়ে। অন্যদিকে মোহনবাগান সুপারজায়ান্টকে দুগোলের ব্যবধানে জিততেই হত। মোলিনার ছেলেরা সেটাই করলেন। দুই পর্ব মিলিয়ে ৩-২গোলে জিতে আইএসএল ট্রফির আরও কাছে সবুজ মেরুন।
প্রতিপক্ষ কোচের নাম খালিদ জামিল। যার রক্ষনাত্মক কৌশলে বাজিমাত করার সুনাম রয়েছে। কলকাতায় তিনি রক্ষনকে মজবুত করে মোহনবাগান সুপারজায়ান্টকে বিঁধতে চেয়েছিলেন। প্রথমার্ধে রক্ষন সামলে গোল খাওয়া এড়ালেন। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে প্রতিরোধ ভাঙল জামশেদপুরের। জেসন কামিন্সের কর্নার থেকে বক্সের মধ্যে প্রনয় হালদারের হাতে লাগলে পেনাল্টি দেন রেফারি। গোল জেসন কামিন্সের।
একসময় মনে হচ্ছিল ম্যাচ বোধহয় অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে। ফয়সালা হতে পারে টাইব্রেকারে। এই সময়ই দুরন্ত ভলিতে জয় সূচক গোল আপুইয়ার। মরসুমের প্রথম গোল তিনি করলেন দলের প্রয়োজনীয় সময়ে।
যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে সুপারজায়ান্ট কর্তৃপক্ষ তাদের আইপিএলের দল লক্ষ্ণৌর অধিনায়ক ঋষভ পন্থকে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি এবং দলের বাকি কয়েকজন সুপারজায়ান্টের ফুটবল দলের জয় দেখলেন মালিক সঞ্জীব গোয়েঙ্কার পাশে বসে।
আইএসএল ফাইনালে মোহন বাগান, এই নিয়ে তৃতীয়বার

