স্টোরি ৩, ছবি- সোশ্যাল মিডিয়া থেকে স্ক্রিনশট
সীমান্তে একজন নয়, তিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ভারতকে লড়তে হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভারতের উপ-সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাহুল আর সিং। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষ হিসেবে পাকিস্তান দৃশ্যমান হলেও নেপথ্যে থেকে চীন ও তুরস্ক তাদের সর্বতোভাবে সাহায্য করেছে।
সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়ে যে মন্তব্য করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিং, তার দ্রুত সমাধান প্রয়োজন বলেই মনে করছেন সামরিক বিশেষজ্ঞরা।
অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার এবং সুরক্ষা বিশেষজ্ঞ প্রফুল্ল বক্সী বলেছেন, সামরিক সরঞ্জামের সাপ্লাই চেন সম্পর্কে যে তথ্য প্রকাশ পেয়েছে, সেনা কর্মকর্তাদের অনেকেই সে বিষয়ে আগেও বলে এসেছেন। ভবিষ্যতের কথা ভেবে এই সমস্ত বিষয়গুলো গুরুত্ব সহকারে দেখা এবং পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।
গত মাসে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা দাবি করেন, ভারতের বিরুদ্ধে পাকিস্তান যে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে, সেখানে তারা নিজস্ব সম্পদই ব্যবহার করেছে। অন্য কোন দেশের নয়।
ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর তরফে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুক্রবার ভারতের উপ সেনাপ্রধান রাহুল আর সিং বলেছেন, অপারেশন সিঁদুর থেকে যা কিছু শেখার থাকতে পারে, সে বিষয়ে বলা দরকার বলে আমি মনে করি। প্রথমত, সীমান্ত একটা, শত্রু দুজন। আমরা সামনে পাকিস্তানকে দেখেছি, কিন্তু আসলে শত্রু দুজন। কিন্তু আমি যদি তিনজন বলি তাহলে ভুল হবে না। পাকিস্তান ছিল কেবল সামনে দৃশ্যমান মুখ মাত্র।
তিনি বলেন, পাকিস্তানকে চীন সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দিয়েছে। কারণ গত পাঁচ বছরের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান যে সামরিক সরঞ্জাম পেয়েছে, তার ৮১ শতাংশ এসেছে চীন থেকে। চীন উত্তর সীমান্তে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি খেলায় জড়িয়ে পড়ার চেয়ে অপরকে যন্ত্রণা দেওয়ার জন্য প্রতিবেশীকে ব্যবহার করেছে।
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিকতম সংঘর্ষে চীনের ভূমিকা সম্পর্কে আগেও অভিযোগ উঠেছিল। পাকিস্তানের প্রতি তুরস্কের সমর্থনও স্পষ্টভাবেই প্রকাশ্যে এসেছে এর আগে।

