Upload By K. Halder at 23th April 2025, 05:47 PM
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো না হলেও ইতিমধ্যেই পহেলগামেরর হামলার পিছনে পাক যোগসূত্র মিলেছে। হামলার দায় স্বীকার করেছে লস্কর-ই- তৈবার ছায়া সংগঠন টিআরএফ বা ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। মঙ্গলবার রাতেই এই হামলার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে পাক জঙ্গিগোষ্ঠীটি। গত বছর জুন মাসে জম্মু-কাশ্মীরের রেইসি জেলায় পুণ্যার্থীদের একটি বাসে হামলা চালিয়েছিল টিআরএফ। মৃত্যু হয় অন্তত ১০ জন পুণ্যার্থীর।
ভয়ঙ্কর জঙ্গী হামলার একদিন পরে বুধবার পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলায় পর্যটকদের উপর হামলায় নিহতদের মৃত্যুতে আমরা উদ্বিগ্ন। নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।
বেশ কিছু ধরেই ভারত সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জঙ্গিরা। ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বুধবার ভোরে জম্মু-কাশ্মীরের বারামুল্লায় ৩ সন্ত্রাসবাদী অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। দু’জনকেই খতম করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। বারবার সীমান্ত এলাকায় অস্থিরতা সৃষ্টির পিছনে পাকিস্তানের হাত রয়েছে মনে করছেন অনেকে।

পহেলগামের ঘটনার পরেই সামনে এসেছে কদিন আগে করা পাক সেনাপ্রধানের এক উস্কান মূলক বিবৃতি। প্রবাসী পাকিস্তানিদের এক সভাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির বলেন, “কাশ্মীর হল পাকিস্তানের জিউগুলার ভেন।“
তিনি আরও বলেন, “আমরা একে ভুলবো না। আমাদের কাশ্মীরি ভাইদের বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামকে আমরা কখনো ছেড়ে দেব না।” পাশাপাশি তিনি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত দুই-জাতি তত্ত্বকেও সমর্থন জানিয়েছিলেন। তার সেদিনের সেই বক্তব্য হয়তো মঙ্গলবারের হামলার ইঙ্গিত ছিল।

