বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
এসইউসিআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির ডাকে প্রতিবাদী শিক্ষক বরুন বিশ্বাস শহীদ দিবসে কসবা ল কলেজের ভিতরে ছাত্রীর গণধর্ষণে যুক্ত শাসকদলের মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে গড়িয়াহাট মোড় থেকে কসবা থানা পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করলো সংগঠনের মহিলারা।
মিছিলের দাবি, আরজিকর থেকে কসবা নারী নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। শাসক দলের মদতপুষ্ট দুর্নীতি চক্র ও থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধেও দাবি ওঠে। গড়িয়াহাট মোড় থেকে ৫০০ মহিলার বিক্ষোভ মিছিল কসবা থানার সামনে গেলে পুলিশ মিছিল আটকে দেয় এবং মহিলাদের সঙ্গে পুলিশের প্রবল ধস্তাধস্তি হয়।
থানার সামনে রাস্তা অবরোধ করে চলে বিক্ষোভ এবং ধিক্কার সভা। দলের রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য অনরুপা দাসের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল কসবা থানায় প্রতিবাদ পত্র জমা দেয় এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পাশাপাশি রাজ্যজুড়ে নারী নিরাপত্তার সুনিশ্চিত করার দাবিতে করেন।
কসবা থানার সামনে ধিক্কার সভায় বক্তব্য রাখেন দলের রাজ্য সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য সুজাতা ব্যানার্জি, অনুরূপা দাস, কল্পনা দত্ত, মহুয়া নন্দ, পার্বতী পাল, মহুয়া মাইতি, শ্রমজীবী মহিলা আন্দোলনের নেত্রী ইসমত আরা খাতুন, রুনা পুরকায়েত, পুলিশি নৃশংসতার শিকার ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী সুশ্রিতা সোরেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন- “আরজি কর থেকে কসবা ল কলেজ- ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে শাসকের থ্রেট কালচার এবং দুর্নীতির সিন্ডিকেট চক্রের পরিণতি। আজকে রাজ্যে কোথাও ছাত্রী তথা নারীর নিরাপত্তা নেই। আমাদের দল রাজ্যজুড়ে নারী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন সংগঠিত করে চলেছে।
আর জি কর কাণ্ডের ন্যায়বিচার এখনো হয়নি, আমরা রাজ্যের সাধারণ মানুষের কাছে আহ্বান করছি, আর জি কর, কসবা ল কলেজ সহ রাজ্যে ঘটে চলা সমস্ত নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র থেকে তীব্র গণ আন্দোলন গড়ে তুলুন।”

