বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
কমিশনের কড়া মনোভাবের পর এবার মেজাজে কাজে ফিরল রাজ্যে থাকা কমিশনের কাজের নিযুক্ত সব আধিকারিক থেকে কর্মচারী। ভোটার তালিকায় কারচুপির অভিযোগে সাসপেন্ড হওয়া চার আধিকারিকের ভবিষ্যৎ কি হবে তা নিয়ে যখন সকলের মনে প্রশ্ন চিহ্ন দেখা দিয়েছে তখন নির্বাচন কমিশনের কাজে নিযুক্ত হওয়া রাজ্যের সব আধিকারিক থেকে কর্মচারীদের রীতিমতো ঘুম উড়েছে কমিশনের শাস্তির বিধান দেখে।
যে কাজের জন্য নির্বাচন কমিশন দেশের প্রত্যেক রাজ্যের কর্মচারীদের নিয়োগ করে থাকে সেই কাজে কর্তব্যে গাফিলতি হলে নির্বাচন কমিশন যে কত বড় পদক্ষেপ করতে পারে তা সম্প্রতি বুঝিয়ে দিয়েছে কমিশন রাজ্যের চার আধিকারিক কে সাসপেন্ড করে।
নির্বাচন কমিশন সেই সংস্থা যা সম্পূর্ণরূপে স্বশাসিত এবং সাংবিধানিক। কেবলমাত্র তাই নয় ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের বিধান অনুযায়ী সব নিয়মকেই মান্যতা দিয়ে নির্বাচন কমিশন প্রতিটা পদক্ষেপ করে। পাশাপাশি সংবিধানের সর্বোচ্চ ক্ষমতা কেবলমাত্র দেওয়া আছে এই নির্বাচন কমিশনের ওপরেই তাই নির্বাচন কমিশনের কাজে যদি কেউ কর্তব্যে গাফিলতি করে থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশন সবদিক বিচার বিবেচনা করে তৎক্ষণাৎ সাংবিধানিকভাবেই তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে থাকে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এর দফতর সূত্রে খবর দীর্ঘদিন যাবত রাজ্যের সব ইআরও এবং এ ইআরও দের বারবার মনে করিয়ে দেওয়ার পরেও কিছুতেই তারা সঠিকভাবে কাজ করছিলেন না।
নির্বাচন কমিশনের আসল জায়গা হল ভোটার তালিকা যার মাধ্যমে একজন নাগরিক তার সচিত্র পরিচয় পত্রটি পান নির্বাচন কমিশন থেকে আর সেখানেই রীতিমতো কারচুপি করতে গিয়েই কমিশনের কোপে পড়তে হয়েছে রাজ্যের চার আধিকারিক কে। আর নির্বাচন কমিশনের এই কোপের পরেই আধিকারিক থেকে শুরু করে কর্মচারীরা সতর্ক হয়ে উঠেছেন। তারা বুঝতে পারছেন কর্তব্যে গাফিলতি হলে তাদের কপালেও একই বিধান জুটবে সে কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এখন দেখার বিষয় দেরিতে হলেও যখন নির্বাচন কমিশন এইরকম কড়া পদক্ষেপ করেছে তারপর এবার কি ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করতে সক্ষম হবে নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গে ?

