বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
শনিবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় শহরের রাস্তায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। এটি তাঁর হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। ট্রাম্প ক্ষমতায় বসার পর সরকারি ক্ষেত্রে ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই এবং প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার যথেচ্ছ ব্যবহারের অভিযোগসহ নানা ঘটনা তুলে ধরে এই বিক্ষোভ হয়।
ওয়াশিংটনে, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী যাদের অনেকেই যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে ন্যাশনাল মলে জড়ো হন। যেখানে বহু বক্তা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন। এই প্রতিবাদে উঠে এসেছে বাণিজ্য শুল্ক ও নাগরিক স্বাধীনতা হ্রাসের মতো বিষয়গুলো।শনিবার সেদেশের ৫০টি স্টেটে প্রায় ১ হাজার ২০০ বিক্ষোভ–সমাবেশ আয়োজন হয়েছে।ওয়াশিংটন, নিউ ইয়র্ক, হিউস্টন, ফ্লোরিডা, কলোরাডো ও লস অ্যাঞ্জেলেসসহ বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ হয়েছে।

এই বিক্ষোভের নাম দেওয়া হয়েছে ‘হ্যান্ডস অফ’।এই বিক্ষোভে ১৫০টির মতো গোষ্ঠী অংশ নেয়। বিশাল এই বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে তাঁরা ট্রাম্প, ইলন মাস্ক, রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ও তাঁদের মিত্রদের পরিষ্কার বার্তা পাঠাতে চান যে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের ওপর কোনো হস্তক্ষেপ মেনে নেওয়া হবে না।
তবে শুধু আমেরিকা নয় এই বিক্ষোভ ইউরোপের কিছু রাজধানীতেও ছড়িয়ে পড়েছে যেখানে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্প ও তাঁর আক্রমণাত্মক বাণিজ্য নীতির বিরোধিতা করছেন।ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিকেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। এদের বেশিরভাগই মার্কিন নাগরিক।ব্রিটেনের রাজধানী লন্ডন ও পর্তুগালের রাজধানী লিসবনসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে ট্রাম্প ও মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে।

