Published By Subrata Halder, 07 May 2025, 05:05 pm
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
হানিয়া আমির ও মাহিরা খান। পাকিস্তানের জনপ্রিয় দুই তারকা ভারতের হামলার ঘটনার নিন্দা করেছেন। কারণ ভারত পাকিস্তান ও পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের মোট ৯টি জায়গায় হামলা চালিয়ে জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করেছে। যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সিঁদুর’।
গত ২২ এপ্রিল পহেলগামে ২৬ জন পর্যটক মারা যান জঙ্গি হামলায়। এ ঘটনার প্রতিশোধ নিতে এ অভিযান ভারতের। সীমান্ত এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে উত্তেজনা। ভারতের এই হমালার তীব্র নিন্দা করেছেন পাকিস্তানের অভিনেত্রী মাহিরা খান ও হানিয়া আমির। এই কাজকে সম্পূর্ণরূপে কাপুরুষোচিত বলেও দাবি করেছেন তারা।
পাকিস্তানের অভিনেত্রী মাহিরা খান একটি টুইট রিপোস্ট করেছেন যেটি লেখিকা ফাতিমা ভুট্টো লিখেছেন। এই পোস্টে মূলত পাকিস্তানের উপর ভারতের এই হামলাকে তীব্র নিন্দা করা হয়েছে। মাহিরা খান সেই পোস্ট সম্পর্কে নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন, ‘এতটা কাপুরুষের মত কাজ! আল্লাহ আমাদের দেশকে রক্ষা করুন। সুচিন্তা বজায় থাক, শুভবুদ্ধির উদয় হোক’।
পাকিস্তানের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী হানিয়া আমির একটি মাত্র শব্দে এই হামলার ব্যাপারে লিখেছেন নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে। তিনিও ভারতের এই হামলাকে এক কথায় কাপুরুষোচিত বলে দাবি করেছেন। এর আগেই হানিয়া আমিরের নাম সংবাদের শিরোনামে এসেছিল। কারণ ভারতে তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুধু তিনি একা নন, তার সঙ্গে মাহিরা খান, ফাওয়াদ খান, আলি জাফরের অ্যাকাউন্টও ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ভারতে পাকিস্তানি তারকাদের অনুরাগীদের সংখ্যা কম নয়। তাই পহেলগামের হামলার পরেই ভারত সরকারের পক্ষ থেকে দেশে এই পাকিস্তানের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। আটকে গিয়েছিল ‘আবির গুলাল’ সিনেমার মুক্তিও
তাদের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে এখন ঢুকলেই লেখা দেখা যাচ্ছে ‘অ্যাকাউন্ট নট অ্যাভলেবল ইন ইন্ডিয়া। আর এর কারণ হলো আমরা আইনি অনুরোধে প্রোফাইলের কনটেন্ট নিষিদ্ধ করেছি। অন্যদিকে ভারত সরকার গভীর রাতের এ হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং একে ‘সুনির্দিষ্ট, পরিমিত এবং উত্তেজনাকর নয়’ বলেই দাবি করেছে। এ হামলার বিষয়ে সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি ধ্বংস করার উপরে ভারত জোর দিয়েছে।
কূটনীতিক অফিসারদের মতে
মাহিরা ও হানিয়া যে ভারত বিদ্বেষী তার প্রমাণ মিলে গেলো।
জঙ্গিরা যখন হিন্দুদের খুঁজে খুঁজে মেরেছিল তখন মাহিরা ও হানিয়ার নীতি বোধ কোথায় ছিল। সেই ঘটনা কি খুব বীরপুরুষের কাজ। আসলে সেদিনের ঘটনায় তারা বিরোধীতা করলে এতদিন তাদের কবরে থাকতে হতো তা তারা ভালো ভাবে জানেন।এখন নীতি কথা বলে সে দেশেও বিরাট মুসলিম জাতীয়তা দেখাচ্ছে। আল্লাহ কোথায় বলেছেন হিন্দু নারীদের সিঁদুর তাদের সামনে মুছবে দেখাতে পারবেন তারা। আসলে এটাই হলো পাকিস্তানের আদত।
বলছেন কুনৈতিকরা।

