পাথরপ্রতিমায় বাজি বিস্ফোরনে অবশেষে বাড়ির ছোট ছেলেও গ্রেফতার

Published By Subrata Halder on 4th April 2025 at 04:49pm

পীযূষ চক্রবর্তী,
বিস্ফোরণ কাণ্ডে গ্রেফতার আরও এক। শুক্রবার সকালে তুষার বণিক নামে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ওই পরিবারের ছোট ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমার ঢোলাহাটে তৃতীয় ঘেরি এলাকায় বাজি বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় আটজনের। ওই পরিবারেই ছোট ছেলে তুষার। ঘটনার পর থেকে ছিল পলাতক। এদিন সকালে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই ঘটনায় পুলিশ তুষারের দাদা চন্দ্রকান্তকে আগেই গ্রেফতার করেছে।
গত সোমবার রাতে একটি বাড়িতে হঠাৎই বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। তারপর দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে গোটা বাড়ি। বণিক বাড়ি হিসেবে পরিচিত ওই বাড়িতে মজুত থাকা বাজি থেকে বিস্ফোরণ হয়। আর তার ফলেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাড়িতে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় আটজনের। মারা যান চন্দ্রকান্তের স্ত্রী, সন্তান, বাবা এবং ভাইয়ের স্ত্রী-সহ আট জন। তবে বেঁচে যান চন্দ্রকান্ত, তার ভাই তুষার ও মা মেনকা। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়। ঘটনার পর থেকেই অবশ্য তুষার ও চন্দ্রকান্ত পলাতক ছিলেন।
বুধবার সকালে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন চন্দ্রকান্ত। তুষার অন্যত্র গা ঢাকা দিয়েছিলেন। এদিন সকালে তিনি ধরা পড়েন।
যদিও আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, চন্দ্রকান্তের বাজি ব্যবসার লাইসেন্স ছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসক সুমিত গুপ্ত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর উল্টো সুরে গিয়ে বলেছিলেন, ২০২৩ সালে চন্দ্রকান্তের ব্যবসার লাইসেন্স পুনর্নবীকরণ করা হয়নি। তার পরেও কী ভাবে ওই কারবার চলছিল, দেখা হবে।
এর আগে বেশ কয়েকটি জায়গায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের জেরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও যে এই বেআইনি ব্যবসার রমরমা রয়েছে তা এই ঘটনাই প্রমাণ করে। পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও বারবার প্রশ্ন উঠেছে।