পাঠচক্রের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়, ঝুলে রইল বাগানের ভাগ্য

বঙ্গবার্তা ব্যুরো, সন্দীপ সুর

ছবি সোশ্যাল মিডিয়া

পাঠচক্রের বিরুদ্ধেই ফর্মে ফিরল মোহনবাগান। ৫-২ গোলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
নৈহাটির বঙ্কিমাঞ্জলি স্টেডিয়ামে ৬ মিনিটের মাথায় মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন পাসাং দোরজি তামাং। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই গোল হজম করে তারা। ১৫ মিনিটে সমতা ফেরায় পাঠচক্র। ২৪ মিনিটে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন করণ রাই। ৪৫ মিনিটে গোল করেন পীযূষ। প্রথমার্ধে ৩-১ গোলে এগিয়ে ছিল সবুজ-মেরুন।

ম্য়াচের দ্বিতীয়ার্ধেও বাগানের আক্রমণের ঝাঁঝ অব্যাহত থাকে। প্রথমে ৪৮ মিনিটে এবং তারপর ৬৫ মিনিটে পরপর দুটো গোল করলেন করণ রাই। আর সেইসঙ্গে নিজের হ্যাটট্রিক পূরণ করেন তিনি। এরপর ম্যাচের ৬৯ মিনিটে কিছুটা হলেও সম্মান বাঁচায় পাঠচক্র। একটা গোল তারা শোধ করে। কিন্তু, ম্যাচের ফলাফল তাতে একেবারেই বদলায়নি।

আপাতত ১০ ম্যাচে মোহনবাগানের পয়েন্ট ১৭। পয়েন্ট তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে তারা। তাদের উপরে থাকা সুরুচি সংঘ ও কাস্টমসের পয়েন্ট ১০ ম্যাচে ১৯। তাদের এখনও একটি করে ম্যাচ বাকি। যদি এই দুই দলের মধ্যে কোনও দল নিজেদের শেষ ম্যাচ জেতে তা হলে মোহনবাগানের সুপার সিক্সে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই।

পয়েন্টস টেবিলে পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। কিন্তু, মেসারার্স ম্য়াচের ভাগ্য এখনও পর্যন্ত নির্ধারিত হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গল এফসি এই টুর্নামেন্টে সুপার সিক্সের টিকিট কনফার্ম করে ফেললেও, বাগানের ভাগ্য আপাতত ঝুলেই রইল।

কলকাতা লিগের সূচি অনুযায়ী এটা মোহনবাগানের গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচ। গত ১৩ অগস্ট মেসারার্স ক্লাবের বিরুদ্ধে দল নামায়নি বাগান। সেই সময় চলছিল ডুরান্ড কাপ। সে ক্ষেত্রে বাকি থাকা ম্যাচের ফয়সালার উপরেও কিছু নির্ভর করছে না।


সবুজ মেরুন দল না নামালেও, মেজারার্স ক্লাবকে ওয়াকওভার হিসেবে ৩ পয়েন্ট দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি আইএফএ। এই ম্যাচ যদি নতুন করে আয়োজন না করা হয়, তাহলে শনিবারই এবারের কলকাতা লিগ অভিযান শেষ হয়ে গেল সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। সবই নির্ভর করছে আইএফএ-র সিদ্ধান্তের উপর।