বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
ছবি সোশ্যাল মিডিয়া
দাদু ঠাকুমা উদ্বাস্তু হয়ে এসেছিলেন এদেশে। কোন্নগর স্টেশনের কাছে নবগ্রামে অ্যাসবেষ্টসের চাল ও মাটির দেওয়ালের বাড়িতে হ্যারিকেনের আলোয় শুরু করেছিলেন স্বপ্প দেখা। প্রতিপদে পদে চ্যালেঞ্জ কম ছিলনা। ক্লাস থ্রী তে পড়ার সময় স্কুলের বেতন দিতে না পাড়ায় পড়া বন্ধ হতে বসেছিল। মা শিক্ষকদের কাছে অনুনয় বিনয় করে টিকিয়ে রেখেছিলেন ছেলের পড়া। মায়ের সেই আবেদনের আস্থা রেখেছেন গৌতম চট্টোপাধ্যায়।
শিবপুর বিই কলেজ থেকে ইলেকট্রনিক্স নিয়ে পড়াশোনা করার পর টিএফআর এ রেডিও টেলিস্কোপ তৈরি। তারপর আমেরিকায় পাড়ি। সেখানে বিজ্ঞান গবেষণায় নানা কর্মযজ্ঞ। নাসার জেপিএল সংস্থা এবার গৌতম চট্টোপাধ্যায় কে ধ্রুবতারা সম্মান দিচ্ছে। যা নিঃসন্দেহে এক বিরল স্বীকৃতি এক বং বঙ্গ সন্তানের। তবে গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের কোন লাভ হয়নি। এই মাপের মানুষ আজও অতি সাধারণ জীবন যাপন করেন। মাতৃভূমির গ্রামের স্কুলে আজও কোন অনুষ্ঠানে এলে হয়ে ওঠেন ৫০ বছর আগের ছাত্র, এতটাই সহজ সরল তিনি। গৌতম চট্টোপাধ্যায়ের এই স্বীকৃতি প্রাপ্তিতে অভিভূত তার বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা।

