রাজ্যে বার্ধক্য ভাতার সুযোগ পাচ্ছেন ৬ লক্ষের বেশি মহিলা বিধানসভায় দাবী সমাজ কল্যাণ মন্ত্রীর

Published by Subrata Halder, 13 June 2025, 07:34 p.m.

বঙ্গবার্তা ব্যুরো
২০২৩ সাল থেকে লক্ষী ভান্ডারের উপভোক্তারা ৬০ পেরোলেই সরাসরি বার্ধক্য ভাতার জন্যই নথিভুক্ত হয়ে যাচ্ছেন। এখনো পর্যন্ত এই সংখ্যা প্রায় ছয় লক্ষ ছাড়িয়েছে শুক্রবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বে একথা জানালেন রাজ্যের নারী, শিশু এবং সমাজকল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তৃণমূল বিধায়ক সমীর জানার প্রশ্নের জবাবে বিধানসভায় এই তথ্য উল্লখ করেন।
তিনি বলেন, এখনো পর্যন্ত রাজ্যে ৬ লক্ষ ৮২ হাজার ৮৯৫ জন লক্ষী ভান্ডার থেকে সরাসরি বার্ধক্য ভাতার জন্য রূপান্তরিত উপভোক্তা তালিকায় গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের জয়বাংলা পোর্টালে এদের নাম নথিভুক্ত করেছে। এদের মধ্যে লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে বার্ধক্য বাতায় গিয়েছেন ৬ লক্ষ ৩৪ হাজার ৮৩৭ জন। লক্ষী ভান্ডার থেকে তপশিলি বন্ধুতে সুবিধা পাচ্ছেন ৪১ হাজার ৮৯২ জন। লক্ষীর ভান্ডার থেকে জয় জোহার পাচ্ছেন ৬১৬৬ জন।
এই মুহূর্তে রাজ্যে সামগ্রিকভাবে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রাপকের সংখ্যা, দু কোটি কুড়ি লক্ষের বেশি। এ বছর ১০ ই জুন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৬১৫ কোটি টাকার বেশি লক্ষী ভান্ডার খাতে খরচ করেছে রাজ্য। আগস্ট ২০২১ থেকে শুরু হওয়া আটটি দুয়ারে সরকার ক্যাম্পের মাধ্যমে উপভোক্তারা লক্ষী ভান্ডারের জন্য আবেদন করেছিল। এর বেশিরভাগ সংখ্যক মহিলারা এখন এই লক্ষী ভান্ডারের সুবিধা পাচ্ছেন। উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারের তরফ থেকে যখন লক্ষী ভান্ডার প্রকল্প চালু হয়েছিল তখন সাধারণ মহিলাদের জন্য ৫০০ টাকা এবং তপশিলি জাতি এবং প্রজাতিভুক্ত মহিলাদের দেওয়া হতো হাজার টাকা। এখন সাধারণ মহিলারা লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে পান হাজার টাকা, তপশিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত মহিলারা এই প্রকল্পে প্রত্যেক মাসে পাল বারোশো টাকা করে।