Published by Subrata Halder, 11 May 2025 at 10:25 pm
বঙ্গবার্তা ব্যুরো,
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম, ও বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শশি থারুর। চিদাম্বরম বলেন, প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন কোন বড়সড় যুদ্ধের ঝুঁকি এড়িয়ে যেতে। মোদীর এই পদক্ষেপ কে তিনি বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন।
চিদাম্বরমের মতে প্রধানমন্ত্রী হয়তো আঁচ করতে পেরেছিলেন , যে দু’দেশের এই সংঘর্ষ বড় যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সে ক্ষেত্রে তাঁর এই যুদ্ধ বিরতির সিদ্ধান্ত সঠিক। ভারত নির্দিষ্টভাবে জঙ্গি ঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ চালিয়েছে। ফলে এই পদক্ষেপকে আক্রান্ত দেশের বৈধ প্রতিক্রিয়া হিসেবেই আন্তর্জাতিক স্তরে তুলে ধরা যায় এবং তার স্বপক্ষে ব্যাখ্যা দেওয়া যায়। তিনি বলেন, তবে কয়েকটি জঙ্গি ঘাঁটি শেষ করেই পাকিস্তানের সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ইতি টানা যাবে না। পাকিস্তানের এখনও বহু যুবক জঙ্গি কার্যকলাপের প্রশিক্ষণ নিয়ে ভারতে সন্ত্রাস চালাতে প্রস্তুত। তিনি বলেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীতে যতদিন আইএসআইয়ের প্রভাব থাকবে ততদিন ভারতের নিরাপত্তাও সুরক্ষিত নয়। চিদাম্বরম বলেন, যখন দুদেশের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ হয় তখন প্রাণহানির সম্ভাবনা থাকে। তা দুর্ভাগ্যজনক হলেও কিছু ক্ষয়ক্ষতি এড়িয়ে যাওয়া যায় না।
কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও মোদীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। তিনি বলেন ভারতের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল সন্ত্রাসবাদীদের শিক্ষা দেওয়া, সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে। এই যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী করার কোন উদ্দেশ্য ছিল না । তবে এখন সরকারের উচিত জঙ্গি আক্রমণের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় নিয়ে আসা।
চিদাম্বরম অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি কয়েকটি বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রীর উচিত ছিল দুটি সর্বদলীয় বৈঠকে উপস্থিত থাকা। একই ভাবে মণিপুরের সংঘর্ষের সময় তিনি নীরব ছিলেন।
এদিকে কংগ্রেসের দুই শীর্ষ নেতা মোদীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানোয় কংগ্রেস শিবিরে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। কেন তাঁরা আগ বাড়িয়ে মোদীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাতে গেলেন তা নিয়েও দলে প্রশ্ন উঠছে। কংগ্রেসের অনেকেই এর সঙ্গে আবার মোদী জমানায় প্রায় সাড়ে তিন মাস চিদাম্বরমের হাজতবাসের যোগ খুঁজছেন।

