বঙ্গবার্তা ব্যুরো
ছবি- সোশ্যাল মিডিয়া
আইন পড়ুয়া এক ছাত্রীকে জোর গণধর্ষণের ঘটনা তো সদ্য সামনে এসেছে, কিন্তু অনেক আগেই আইসিইউ তে চলে গেছে কলেজ। তা হয়েছে তৃনমূল কংগ্রেস নেতা মনোজিত মিশ্রদের হাত ধরে।
নয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারিদলের এক অফিসারের দেওয়া তথ্য তেমন ইঙ্গিত দিচ্ছে। কারণ ওই আইন কলেজের নিরাপত্তারক্ষীদের জন্য নির্দিষ্ট রুম নামেই ছিল রক্ষীদের জন্য, আসলে তা মনোজিতদের অপারেশন থিয়েটার।
ওই রুমে যে অস্থায়ী খাটের উপর পেতে রাখা চাদর হাসপাতালে আইসিইউ তে ব্যবহৃত হয় যে চাদর সেটি। নীল কালিতে তা লেখাও আছে। ওই চাদরের উপর রয়েছে অনেক দাগ বা ছোপ, সেইগুলির নমুনা নিয়েছেন তদন্ত কারীরা। মিলেছে বাথরুম ও ইউনিয়ন রুমের কাছে রক্তের দাগ। তাও পরীক্ষা করছেন গোয়েন্দারা।
তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী যাকে টার্গেট করেছিল মনোজিত গ্যাং তার দেওয়া তথ্য শুনলে হাড় হিম হয়ে যাবে যে কোন মেয়ের অভিভাবকদের। যার একটাই উদাহরণ হিসাবে বলতে পারি, মনোজিত মেয়েদের কৌমার্য পরীক্ষার কথা বলতেন, জোর করে সেই অপরাধ করেও মুক্তি দিত না মেয়েটিকে।
এই নির্যাতিতা যদি প্রতিবাদ না করত তবে ওই ভিডিও ফুটেজ মেয়েটিকে লাগাতার ব্ল্যাক মেইল করার কাজে লাগাত মনোজিত গ্যাং। যেমনটা তারা অনেকের ক্ষেত্রে করে এসেছে।
মনোজিত কিন্তু চুনো পুঁটি নেতাও নন। বড়ো নেতা। শাসক দলের হয়ে অনেক নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ
ভূমিকা আছে তার। তাই মনোজিতের হাত অনেক লম্বা বলছেন কলেজের এক বর্তমান ছাত্র। ওই ছাত্রের অভিযোগ কলেজে মানসিক চাপ বলে বোঝানো যাবে না।
অভয়া কাণ্ডে যেমন উঠে এসেছিল হসপিটালে এক শ্রেণীর ছাত্রদের দৌরাত্ম্য সাউথ কলকাতা ল কলেজ তারই অনুরূপ দাবী করছেন উত্তর কলকাতার বাসিন্দা ওই ছাত্র।
তবে সিটের হাতে এই পর্যন্ত এসেছে ও অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

