বঙ্গবার্তা ব্যুরো সন্দীপ সুর
আধুনিক ক্রিকেটের ধাত্রীভূমি বলা হয় লর্ডসকে। ক্রিকেট ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ এই লর্ডস। বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। কি্ন্ত সেই মাঠেই কিনা বিতর্ক। লর্ডসের মাঠ সমান নয় খানিকটা ঢালু ভাব আছে।
ইতিহাস বলছে, ১৮১৪ সালে সেন্ট জনস উড এলাকায় যখন লর্ডস তৈরি হচ্ছে, তখন মাঠের জমিটির প্রাকৃতিক ঢালু চরিত্র বজায় রাখা হয়। এরপর অনেক বার মাঠ সংস্কার হলেও, এই ঢাল ঢাল-ই থেকেছে। কোনওভাবেই মাঠটি সমান করা হয়নি।
লর্ডসের বিখ্যাত ব্যালকনিতে দাঁড়ালে স্পষ্ট বোঝা যায়, মাঠ এক দিক থেকে আর এক দিকে কতটা ঢালু। উত্তর-পশ্চিম দিক (প্যাভিলিয়ন এন্ড) থেকে ঢাল নেমে গিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব (নার্সারি এন্ড) দিকে। এই ঢালটা অনেকটাই। এই ঢাল অন্যান্য মাঠে দেখা যায় না। তবে লর্ডসে থাকার কারণ এই এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্রিকেট মাঠে এই ধরনের ঢাল থাকা কোনও সাধারণ ব্যাপার নয়। বিশেষ করে আধুনিক সময়ে। ঘটনাচক্রে এই সময়ে যে কোনও মাঠে কোনও খুঁত থাকলে তা উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে সহজেই মেরামত করা হয়। কিন্তু লর্ডসে অনেককিছু সংস্কার হলেও এই ঢাল কিন্তু ঐতিহ্যশালী মাঠটির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই ঢাল থাকায় পেসাররা পান বাড়তি সুইং।
স্পিনারদের লাইন-লেন্থ সামান্য ভুলচুক মানেই বল ‘বাই’ হিসেবে বাইরে চলে যেতে পারে।প্যাভিলিয়ন প্রান্ত থেকে কোনও বোলার বল করতে এলে তাঁর মনে হতে পারে, তিনি নীচের দিকে নেমে যাচ্ছেন। তবে এই ঢালের কারণে ডানহাতি ব্যাটারদের ক্ষেত্রে ইনসুইং এবং বাঁ হাতিদের ক্ষেত্রে আউটসুইংয়ের সুবিধা পাওয়া যায়।

