বঙ্গবার্তা নিউজ ডেস্ক, গুজরাট ও কলকাতা:
ছবি -সমাজ মাধ্যম
Published by -Jyotirmay Dutta: Posted February 06.02.2026 at 19:58pm
সমাজ মাধমে চার পাঁচ দিনের বন্ধুত্ত্ব আর তাতেই অপরিচিত সেই বন্ধুর ফাঁদে পা দিয়ে ২০ দিন লাগাতার ধর্ষনের শিকার ২১ বছরের যুবতী। মুহম্মদ তহিদুল ও তার সঙ্গী অমন বর্মা ইনস্টাগ্রামে ওই যুবতীর সঙ্গে আলাপ করে মেয়েটিকে ফাঁসায়। এরপর সুরাতে জন্মদিনের পার্টির নাম করে মেয়েটিকে কোটা থেকে সুরাতে আসতে বলে । মেয়েটি সরল বিশ্বাসে সেখানে পৌঁছনোর পর তাকে হোটেলে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে নেশার ইঞ্জেকশন দিলে মেয়েটি আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, তারপর থেকেই যুবতীর উপর অত্যাচার চালাতে শুরু করে ওই দুজন।
ঘটনা এখানেই শেষ নয়, মেয়েটিকে ২০ দিন ধরে বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে গিয়ে নেশার ইঞ্জেকশন দিয়ে আটকে রেখে পাশবিক অত্যাচার চালতে থাকে। পালাবার চেষ্টা করলে মেয়েটিকে মারধোর করাহয়। নেশার ইঞ্জেকশনের ডোজ বাড়িয়ে আচ্ছন্ন করে রাখা হয়। মূল অভিযুক্ত মহম্মদ তহিদুল সুরাতে দর্জির কাজ করত , নাম গোপন করে মেয়েটিকে তুষার নামে মিথ্যে পরিচয় দেয়। সে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। অপর দোষী আমন বর্মা হোটেলে ওয়েটারের কাজ করে।

২০ দিন ধরে মেয়েটিকে বেহুঁশ করে পাশবিক অত্যাচার চালানো ও তাকে মারধোর করে ফোন ও গহনা কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে। ১ লা জানুয়ারি থেকে অত্যাচার চলতে থাকে মেয়েটির উপরে। কোন ভাবে সুযোগ পেয়ে মেয়েটি পালায়। কোটায় পৌঁছে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে। কোটা পুলিশ দ্রুত ওই ইএফ আই আর সুরাত পুলিশের কাছে পাঠায়।
তবে এই ঘটনা আরো একবার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিল সমাজ মাধ্যমের উপর অতি নির্ভরতা ও অপরিচিত কাউকে না জেনে শুনে বিশ্বাস করার মাশুল কত ভয়ঙ্কর হতে পারে। দাবী পুলিশ অফিসারদের। কারণ নেশার ইঞ্জেকশনের ডোজ বেশি হলে মেয়েটি মারাও যেতে পারত।
বা তাকে মেরেও ফেলতে পারত ওই দুই যুবক।

