অক্টোবরের বেতন, মজুরি, স্টাইপেন্ড, সাম্মানিক ও পেনশন আগাম দেওয়ার সিদ্ধান্ত; আগাম বিল জমার নির্দেশ অর্থ দফতরের
Published by -Jyotirmay Dutta: Posted 23.09.2026 at 14:52 pm
বঙ্গবার্তা নিউজ, কলকাতা,মৃণাল কান্তি সরকার:
ছবি এ আই দ্বারা নির্মিত এবং নিজস্ব
দুর্গাপুজোর আগে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। অক্টোবর মাসের বেতন, মজুরি, স্টাইপেন্ড, সাম্মানিক এবং পেনশন নির্ধারিত সময়ের আগেই ১৫ অক্টোবর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। এ বিষয়ে বুধবার অর্থ দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে বলে আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী জানা যাচ্ছে।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্য সরকারের অধীন কর্মরত কর্মচারীদের পাশাপাশি গ্র্যান্ট-ইন-এইডভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতনও ১৫ অক্টোবর মিটিয়ে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের পেনশন এবং পারিবারিক পেনশনও ওই দিন তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

২০১৫ সালের নির্ধারিত সময়সূচির ভিত্তিতে বিশেষ সিদ্ধান্ত
অর্থ দফতরের স্মারকে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৫ সালে বেতন ও পেনশন প্রদানের জন্য যে সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই এ বার বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। দুর্গাপুজোর আগে যাতে কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের হাতে টাকা পৌঁছে যায়, সেই লক্ষ্যেই আগাম অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
এদিকে রাজ্য সরকারের ২০২৬-২৭ সালের বাজেট নথিতে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ রয়েছে।

আগাম বিল জমার নির্দেশ
নির্ধারিত দিনে যাতে কোনওরকম সমস্যা ছাড়াই টাকা পৌঁছে দেওয়া যায়, তার জন্য ট্রেজারি এবং বিভিন্ন দফতরের ড্রয়িং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসার (DDO)-দের আগাম বিল ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ, প্রশাসনিক স্তর থেকেই আগে থেকে সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে রাখার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যাতে ১৫ অক্টোবর নির্ধারিত সময়ে বেতন ও পেনশন প্রদানে কোনও বিলম্ব না হয়।

পুজোর বাজারে বাড়তি স্বস্তি
২০২৬ সালের সরকারি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, ১৫ অক্টোবর থেকে দুর্গাপুজোর ছুটি শুরু হচ্ছে এবং ১৭ থেকে ২১ অক্টোবর ষষ্ঠী থেকে বিজয়া দশমীর মূল পুজোর দিনগুলি রয়েছে।
ফলে পুজোর ঠিক আগে হাতে বেতন ও পেনশন চলে এলে সরকারি কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধাভোগীদের উৎসবের কেনাকাটা ও অন্যান্য খরচের ক্ষেত্রে সুবিধা হবে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, উৎসবের মরসুমে মানুষের হাতে আগেভাগে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই বিশেষ ব্যবস্থা।

