মধ্যমগ্রামে দাবার মহাযজ্ঞ! মোনালিসা ইংলিশ স্কুলে শুরু CISCE Zonal Chess Tournament 2026, ২৯ স্কুলের ২৫০ প্রতিযোগীর অংশগ্রহণ

তিন দিনের মর্যাদাপূর্ণ আন্তঃস্কুল দাবা প্রতিযোগিতার শুভ সূচনা। উদ্বোধনে প্রিন্সিপাল ড. নীহারিকা সিং ও চেয়ারম্যান ড. বিপ্লব কুমার সিং। প্রথম দিনেই নজর কাড়ল অনূর্ধ্ব-১৪ বিভাগের খুদে দাবাড়ুরা।

Published by -Mrinal kanti Sarkar: Posted 09.07.2026 at 19:42 pm

বঙ্গবার্তা নিউজ, কলকাতা,সুদীপ্ত চট্টোপাধ্যায়

ছবি -AI দ্বারা নির্মিত এবং নিজস্ব

দাবার বোর্ডে মেধা, ধৈর্য এবং কৌশলের লড়াইকে সামনে রেখে মধ্যমগ্রামের Monalisa English School-এ জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে শুরু হল CISCE Zonal Chess Tournament 2026। আগামী ৮ থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত চলবে এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তঃস্কুল দাবা প্রতিযোগিতা, যেখানে অংশগ্রহণ করছে ২৯টি স্কুলের প্রায় ২৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী।


প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. নীহারিকা সিং এবং চেয়ারম্যান ড. বিপ্লব কুমার সিং। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁরা প্রতিযোগীদের স্বাগত জানিয়ে ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, শৃঙ্খলা এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের সেরাটা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মোনালিসা ইংলিশ স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের মনোমুগ্ধকর স্বাগত সংগীতের মাধ্যমে। প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশে অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক এবং প্রতিযোগীদের উপস্থিতি অনুষ্ঠানে আলাদা মাত্রা যোগ করে।
এবারের প্রতিযোগিতা তিনটি বয়সভিত্তিক বিভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে

৮ জুলাই: অনূর্ধ্ব-১৪
৯ জুলাই: অনূর্ধ্ব-১৭
১০ জুলাই: অনূর্ধ্ব-১৮

প্রথম দিনের খেলায় অনূর্ধ্ব-১৪ বিভাগের প্রতিযোগীরা অসাধারণ মনোযোগ, কৌশল ও আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দেন। একের পর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় দাবাড়ুদের পারফরম্যান্স উপস্থিত সকলকে মুগ্ধ করে।
প্রতিযোগিতার সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, অংশগ্রহণকারীদের জন্য আন্তরিক আতিথেয়তা এবং আধুনিক আয়োজনের জন্য ইতিমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে Monalisa English School। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, শিক্ষার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যকলাপের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশ নিশ্চিত করা।


স্কুলের প্রিন্সিপাল ড. নীহারিকা সিং এবং চেয়ারম্যান ড. বিপ্লব কুমার সিং-এর নেতৃত্বে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতা শুধু বিজয়ী নির্ধারণের মঞ্চ নয়, বরং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কৌশলগত চিন্তাভাবনা, আত্মবিশ্বাস, বন্ধুত্ব ও ক্রীড়াসুলভ মানসিকতা গড়ে তোলার এক অনন্য উদ্যোগ বলেই মনে করছেন উপস্থিত শিক্ষক-অভিভাবকরা।
আগামী দুই দিনেও অনূর্ধ্ব-১৭ এবং অনূর্ধ্ব-১৮ বিভাগের প্রতিযোগিতায় জমে উঠবে দাবার লড়াই। মধ্যমগ্রাম এখন কার্যত পরিণত হয়েছে তরুণ দাবাড়ুদের মিলনমেলায়।