নতুন পদে ‘মহাগুরু’ মিঠুন, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের পরামর্শদাতা! পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা

রাজ্য সরকারের নতুন দায়িত্বে মিঠুন চক্রবর্তী, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরে পরামর্শদাতা হিসেবে বড় ভূমিকা; রাজনৈতিক মহলে শুরু জোর চর্চা

Published by -Jyotirmay Dutta: Posted 07.10.2026 at 19:27 pm

বঙ্গবার্তা নিউজ, কলকাতা, আভিজিত বসুঃ

ছবি এ আই দ্বারা নির্মিত এবং নিজস্ব

সিনেমার পর্দায় তাঁর পরিচিতি ‘মহাগুরু’ হিসেবে। এবার সেই মিঠুন চক্রবর্তীর কাঁধে আরও বড় দায়িত্ব। রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের পরামর্শদাতা হিসেবে দায়িত্ব পেলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, এই পদে তাঁকে পূর্ণ মন্ত্রীর মর্যাদা দেওয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর নতুন দায়িত্ব ঘিরে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

দীর্ঘ অভিনয় জীবনে একাধিক চরিত্রে দর্শকের মন জয় করেছেন মিঠুন। শুধু সিনেমার পর্দাতেই নয়, বাস্তবের রাজনীতিতেও গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয়ভাবে দেখা গিয়েছে। বিশেষ করে বিজেপির হয়ে বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে তাঁর উপস্থিতি নজর কেড়েছে।

নির্বাচনী প্রচারে কখনও সভামঞ্চে, কখনও জনসংযোগে—বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর বক্তব্য এবং জনপ্রিয়তার কারণে বিজেপির প্রচারে মিঠুনের উপস্থিতি বরাবরই আলাদা মাত্রা যোগ করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

মিঠুন চক্রবর্তীর জনপ্রিয়তার বড় একটি অংশ অবশ্য তৈরি হয়েছে সিনেমার পর্দায়। সাধারণ মানুষের কাছে তাঁর বহু চরিত্র এখনও সমান জনপ্রিয়। বিশেষ করে ‘ফাটা কেষ্ট’ চরিত্রটি একসময় ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। ওই ছবিতে দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করা এক সাধারণ মানুষের ভূমিকায় মিঠুনকে দেখা গিয়েছিল। মানুষের সমস্যার পাশে দাঁড়ানো সেই চরিত্র আজও তাঁর জনপ্রিয় চরিত্রগুলির মধ্যে অন্যতম।

মিঠুনের রাজনৈতিক যাত্রাও যথেষ্ট বৈচিত্র্যময়। বাম আমলে তাঁর রাজনৈতিক মহলের একাধিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার ছবি সামনে এসেছে। পরবর্তী সময়ে তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের কথাও রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হয়েছে। আর সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির হয়ে প্রকাশ্যে প্রচারে অংশ নিয়ে গেরুয়া শিবিরের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন তিনি।

রাজনৈতিক অবস্থানের এই পরিবর্তনের পর এবার রাজ্য সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দফতরের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হওয়া নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। বিশেষ করে তথ্য ও সংস্কৃতির মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তাঁর অভিজ্ঞতা কীভাবে কাজে লাগানো হয়, সেদিকেই এখন নজর থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *